খাঁটি খেজুরের গুড। Khejurer gur. পাটালিগুড়। ঝোলা গুল। তরল গুড।
খাঁটি খেজুরের গুড। Khejurer gur. পাটালিগুড়। ঝোলা গুল। তরল গুড।লক্ষীপুর। বায়েজিদ বোস্তামি সোহাগ এর খাঁটি খেজুরের রস থেকে তৈরিকৃত বিভিন্ন আকারের বা প্রকারের গুড় পাওয়া যায়।
গুড়ের পুষ্টি উপাদান 👍👍👍
আয়ুর্বেদিক স্বাস্ত্রে বিভিন্ন চিকিৎসায় শীতকালে খেজুরের রস থেকে তৈরী গুড় ব্যাপক ব্যবহৃত হয়।এর পুষ্টি উপাদান মানব শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী ও সহনীয়। প্রতি ১০০ গ্রাম খেজুরের গুড়ে থাকে ১.৫ গ্রাম প্রোটিন, ০.৩ গাম ফ্যাট, ৮৫.৭ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট এবং ২.৫ গ্রাম আঁশ থাকে।৩৮৫ ক্যালরি।
এছাড়াও গুড়ে সহনীয় ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, পটাশিয়াম, ফসফরাস, সোডিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, আয়রন,জিন্ক, কপার ও ক্লোরাইড পাওয়া যায়।
প্রতি ১০ গ্রাম গুড়ে থাকে ৯.৭ গ্রাম চিনি।
উপকারীতা সমূহ 👍👍👍
## শরীরের ভিতর থেকে ত্বকের উজ্জলতা বাড়াতে ও চুল ভাল রাখতে সাহায্য করে।
## উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে।
## রক্তে আয়রন ঘাটতি পুরন করে।
## লিভার বা যকৃত পরিষ্কার করে।
## হজম শক্তি বৃদ্ধি করে।
## কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে কোলন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়।
## তাৎকালিক শক্তি যোগায়।
## রক্ত পরিশোধন ক্ষমতা থাকায় অনেক রোগ থেকে মুক্ত থাকা যায়।
## এতে আছে এ্যান্টিকার্সিনোজেনিক এজেন্ট যা ক্যান্সারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে।
## মাইগ্রেনের সমস্যা দূর করে এবং স্মৃতি শক্তি বৃদ্ধি করে।
## এটি এ্যান্টিটক্সিক বা শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ বের করে দেয়।
## চোখের দূর্বলতা দূর করে।দৃষ্টি শক্তি বৃদ্ধি করে।
অতিরিক্ত বা একটানা মাসের পর মাস খেলে কিছু অস্হায়ী সমস্যা দেখা দিতে পারে।
অপকারিতা সমূহ 👌👌👌
## মুটিয়ে যেতে পারেন।
## ডায়াবেটিস হতে পারে।
## ডায়রিয়া হতে পারে।
## গরমের দিনে খেলে নাক দিয়ে রক্তক্ষরণ হতে পারে।
## বাত ও প্রদাহ ভিত্তিক রোগ বাড়তে পারে।
## আলসারের রুগীর গুড় খাওয়া নিষেধ।
## আয়ুর্বেদীক চিকিৎসায় মাছ ও গুড় এক সাথে খাওয়া নিষেধ আছে।
উপসংহার 👌👌👌
পরিমিত গুড় খেলে স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ভাল।অর্থাৎ অল্প পরিমানে এবং মাঝেমাঝে খেলে শ্বাসনালী, ফুসফুস, অন্ত্র, পাকস্থলী ও খাদ্যনালী অত্যন্ত কার্যকরভাবে পরিস্কার করতে পারে এই গুড়। যেমন কয়লা খনির শ্রমিকদের গুড় খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।
এর এ্যান্টি এলার্জিক উপাদান হাঁপানি প্রতিরোধ করে।
খাঁটি গুড় চেনার উপায় 👌👌👌
রং যত গাড় হবে গুড় তত খাঁটি বুঝতে হবে।হলুদাব ভাব থাকলে ক্যামিকেল আছে বুঝতে হবে।যদি নোনতা লাগে বুঝতে হবে ভেজাল।পুরনো গুড়ও একটু নোনতা হয়।গুড় নরম হলে বুঝবেন ভাল।বেশি জাল দিলে একটু তেতো হয়।
No comments:
Post a Comment