https://youtu.be/Kbl0_Y3o_Q4
চিকনগুনিয়া ভয়ঙ্কর এক ভাইরাস জ্বরের নাম
এডিস মশার কামড়ের মাধ্যমে এ রোগ ছড়ায়।এছাড়াও বানর,পাখি ও ইঁদুরের মধ্যেও এ রোগের জীবন চক্র দেখা য়ায়।এর উপসর্গ ডেন্গু ও জিকা ভাইরাসের সাথে মিলে যায়।পার্থক্য শুধু এই ডেন্গু ভাইরাস শুধু স্তন্যপায়ী প্রাণীকে আক্রান্ত করে।২০১৬ সাল পর্যন্ত এ রোগের কোন চিকিৎসা বা প্রতিশেধক আবিষ্কার হয়নি।১৯৫২ সালে তানজানিয়াতে প্রথম এ রোগটি ধরা পড়ে।২০১৭ সালের প্রথম দিকে সারাদেশে ব্যাপকভাবে দেখা দেয়।
উপসর্গসমূহ----
আকস্মিক উচ্চ মাত্রায় জ্বর।জয়েন্টে ব্যাথা ও ফুসকুড়ি নিয়ে শুরু হয়।ফুসকুড়ি শুরুতেই দেখা দিতে পারে তবে সাধারণত দুই থেকে তিন দিন পর জ্বর কমে ফুসকুড়ি দেখা দিতে পারে।এছাড়াও মাথাব্যথা, পেটব্যথা,ক্লান্তি ও ফটোফোবিয়া বা আলোরদিকে তাকাতে সমস্যা হতে পারে।কনজাংটিভাইটিস ও বয়স্কদের আর্থ্রাইটিস বা জয়েন্টে প্রদাহ হতে পারে।জ্বর সাত থেকে দশদিন স্হায়ী হয়।মাথাব্যথা, তীব্র অবসাদ পাঁচ থেকে সাতদিন থাকে।এ রোগে মৃত্যু হার খুবই কম।
শনাক্তকরণ -----
RT-PCR, সেরোলজির মাধ্যমে এ রোগ নির্ণয় করা যায়।
প্রতিরোধ ----
এডিস মশা স্হির এবং স্বল্প পানিতে ডিম পরিষ্ফুটিত করতে পারে তাই কোথায় পানি জমতে দেওয়া যাবেনা।এ মশা একাধারে একাধিক ব্যাক্তিকে কামড়াতে পছন্দ করে।একবার রক্ত খাওয়ার পর তিনদিন বিশ্রাম নেয়।তারপর ডিম পাড়ে।মশারি টাঙ্গানো, লম্বা হাতা জামা ও লম্বা পায়জামা পরিধান করতে হবে।এর কোন টিকা নেই।
চিকিৎসা -----
দ্রুত ডাক্তারের নিকট যাবেন।
No comments:
Post a Comment