প্রেম কেন??
প্রেম যেমন জীবন গড়ে তেমনি ভাঙেও।প্রেমের উন্মাদনায় সাত সমুদ্র পাড়ি দেয় প্রেমীক আবার মৃত্যর মত কঠিন সিদ্ধান্ত নিতেও ভয় পায়না।একটু কথা বলা, একটু দেখা করা বা সময় কাটানোর আকুতি তোড়পাড় করে দেয় বুকের ভিতর।যুক্তরাষ্ট্রের নৃত্বত্তবিদ হেলেন ফিশার ও তার দল গবেষনায় পেয়েছেন মস্তিস্কের ভেনটাল টেগমেন্টাল এরিয়া এর A10 কোষের ডোপামিন এর প্রভাব পেয়েছেন।ডোপামিন চাওয়া,ক্ষুদা,উত্তেজনা ও ভালবাসার আবেগ সৃষ্টি করে।নেশা দ্রব্য নিলে যে আসক্তি হয় প্রেমেও সেরকম আসক্তি বা নেশা থাকে তবে প্রেমের নেশার আগে মস্তিষ্ক বিচার বিবেচনা করে নেয়।
সন্তানের ভুল
বিয়ের মতো স্পর্শকাতর সিদ্ধান্ত নিজেই নিয়ে ফেলে।অথচ সকালের নাস্তা মা এগিয়ে দেওয়ার অপেক্ষায় থাকে।কাউকে ভাল লাগলে বা কারো প্রেমে পড়লে বা কেউ প্রেমের প্রস্তাব দিলে মা বাবাকে জানানোই হল তাদের প্রতি কৃতঘ্যতা। বিয়ে সামাজিক একটা প্রথা।সারা জীবন এ সম্পর্ক টিকিয়ে রাখা জীবনের স্বার্থকতা। যখন পারিবারিক সম্মতিতে বিয়ে হয় তখন যে কোন সমস্যায় সবাই মিলে প্রতিরোধ করার চেষ্টা করে এবং সফল একটা সমাধান বের হয়।
সন্তন থেকে প্রতি বাবা মা-ই কিছু প্রত্যাশা করে।সন্তান যে আদর যত্ন,ভালবাসা, না খেয়ে সন্তানকে খাওয়ানোর দিনগুলি,না ঘুমিয়ে সন্তানকে ঘুমানোর কষ্টকর দিনগুলো ছোট বেলা থেকেই করে অভ্যাসবশত মৃত্যুর আগ পর্যন্ত অমানবিক কষ্ট সহ্য করে বড় করে তোলা হয়।
যৌবন###
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্হার মতে ১০ বছর থেকে ১৯ বছর বয়সের মাঝামাঝি সময়টাকে কৈশর বলে।এ বয়সসীমার মধ্যে যেকোন সময় বয়স্বঃন্ধিকাল আসতে পারে।এটাকেই মুলত যৌবন বলে।কারো কারো ক্ষেত্রে দেরিতে বয়ঃসন্ধি হয়।বালকদের ক্ষেত্রে ১৪ বছর বয়সে অণ্ডকোষের আয়তন ৪ মিমি এর বেশি না হলে বা অণ্ডকোষ না থাকলে এবং বালিকার ক্ষেত্রে ১৩ বছরে স্তনের আকার বড় না হলে বিলম্বিত বয়ঃসন্ধি বলে।
বিলম্বিত বয়ঃসন্ধির কারন #####
👌👌 প্রাইমারি ইপারগোনাডোট্রপিক হাইপোগোনাডিজম।
এক্ষেত্রে গোনাড / অণ্ডকোষ বা ডিম্বাশয় প্রয়োজনীয় যৌন হরমোন তৈরিতে ব্যর্থ হয়।এর পিছনে ক্রোমোজোনাল ত্রুটি বা টার্নার সিন্ড্রোম বা ক্লিনেফিল্টার সিন্ড্রোম থাকতে পারে।টেস্টোস্টরন হরমোনের ত্রুটি এবং মেয়েদের ডিম্বাশয়ের প্রদাহ তাদের যৌবন প্রাপ্তি বিলম্বিত করতে পারে।এছাড়া অণ্ডকোষে বড় আঘাত, ক্যান্সার কেমোথেরাপি বা রেডিওথেরাপি ও থ্যালাসেমিয়া থাকলেও বয়ঃসন্ধি দেরিতে হতে পারে।
না হওয়ার লক্ষন ####
বালিকাদের ঋতুস্রাব না হওয়া।নিতম্ব বড় না হওয়া,কন্ঠস্বর পরিবর্তন হয়না,লোম ও ঘামের পরিবর্তন অনুপস্থিত, বিপরীত লিঙ্গের প্রতি আকর্ষণ অনুপস্থিত । বালকদের দাড়ি-গোঁফ গজায়না,লিঙ্গের আকার ছোট,অণ্ডকোষ ছোট হওয়া,পুরুষালী ভাব না থাকা,বিপরীত লিঙ্গের প্রতি আকর্ষণ না থাকা।
বয়ঃসন্ধির প্রভাব ###
👍👍 মেজাজ খিটখিটে থাকে।
👍👍 লাজুক থাকে।
👍👍 একটু আলাদা থাকতে চায়।
👍👍 অনেকেই একা চলতে চায়।
👍👍 গোপনীয়তা রক্ষা করে বেশি।
👍👍 বিপরীত লিঙ্গের প্রতি আকর্ষণ বৃদ্ধি পায়।
চিকিৎসা 👍👍👍
ধীরগতি হলেও এ সমস্যার সমাধান আছে।দির্ঘমেয়াদি রোগের ক্ষেত্রে সঠিক চিকিৎসা পেলে সমস্যা উত্তোরন সম্ভব। কিন্তু ক্রোমোজোনাল ত্রুটি থাকলে সম্ভাবনা ক্ষীণ। এ ক্ষেত্রে হরমোন বিশেষজ্ঞ ও অভিগ্ঞ গাইনি ডাক্তারের কাছে যেতে হবে।
উপসংহার 👍👍👍👍
হরমোনের বিক্রিয়ায় ভালবাসা হয়।কোন কারনে বিচ্ছেদ হলে মস্তিষ্ক থেকে করটিসল নামের হরমোন নিঃসৃত হয় যা মানসিক চাপ সৃষ্টকারী হরমোন। ফ্র্যাকসার বা হাঁড় ভাঙ্গনে শরীর যেমন কষ্ট অনুভব করে তেমনি মনও ব্যাথা অনুভব করে।অতএব ভালবাসুন তবে বুঝে শুনে দেখে- জেনে।
No comments:
Post a Comment