https://youtu.be/TJTj_RQlz5A
চেয়ারম্যান রিপণ ভাইয়ের স্মরণীয় বক্তৃতা
লক্ষ্মীপুর জেলা দিন চন্দ্রগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগ একটি গুরুত্বপূর্ণ ইউনিট, একসময় সন্ত্রাসীর অধ্যুষিত এলাকা বলে পরিচিত লক্ষীপুর পূর্বঞ্চল। বিএনপি বিভিন্ন সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ন্ত্রণ করতো এসব অঞ্চল। এই সমস্ত অঞ্চলে এমন কোন আওয়ামী লীগ পরিবার নেই যারা নির্যাতিত হয় নাই বিএনপির সন্ত্রাসীদের হাতে।
আওয়ামী লীগ পরিবারে বেড়ে ওঠা স্কুল ছাত্রলীগ রাজনীতি থেকে শুরু। ছিলেন লক্ষ্মীপুর সরকারি সামাদ ইস্কুল ছাত্রলীগের সভাপতি। ছিলেন জেলা ছাত্রলীগের সাবেক আহ্বায়ক। ছিলেন জেলা যুবলীগের সদস্য। বর্তমানে জেলা আওয়ামী লীগের যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক। ছিলেন দত্তপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান। তার পিতা জনাব আহমেদ কবির বৃহত্তর নোয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ছিলেন এবং লক্ষীপুর জেলা জজ কোর্টের সরকারি পিপি।
সেই এরশাদ বিরোধী আন্দোলন থেকে রাজপথে ছিলেন সক্রিয়। ২০০১/২০০৬ সালে বিএনপি-জামায়াত ৪ জোট সরকারের আমলে হত্যা মামলাসহ মোট ২৬ টি মামলার ফেরারি আসামি ছিলেন। তৎকালীন সময়ে তার পিতার মৃত্যুর সময় শেষবারের মতন দেখতে আসা ও মাটি দিতে পারেন নাই বিএনপি সন্ত্রাসীদের কারণে।
সর্বশেষ স্হানীয় সরকার নির্বাচনে তিনি ৮ নং দত্তপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ থেকে নৌকার মার্কায় দলীয় নমিনেশন চেয়েছিলেন। কিন্তু বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভানেত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতিকে নৌকা মনোনয়ন দেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার নির্দেশনাকে সম্মান ও শ্রদ্ধা করে তিনি বিদ্রোহী ভোট থেকে বিরত থাকেন ।
একজন তৃণমূল আওয়ামী লীগের কর্মী হিসেবে আশা করি আগামী ১জুন চন্দ্রগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে জনাব আহছানুল কবির রিপন ভাইকে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করবেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব মেয়া মোহাম্মদ গোলাম ফারুক পিকু ভাই ও বিপ্লবী সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নুর উদ্দিন চৌধুরী নয়ন ভাই।
এটা তৃণমূলের সর্বস্তরের নেতা কর্মীর প্রাণের দাবি।
No comments:
Post a Comment